ইংরেজি উচ্চারণ শেখার সহজ উপায়
বাংলায় যেমন লেখা হয় প্রায় তেমনই পড়া হয়, ইংরেজিতে তা হয় না। তাই অনেক শব্দের বানান জানলেও শুনলে চিনতে পারি না, আর বললেও অন্যরা বুঝতে পারে না। সঠিক উচ্চারণের প্রথম ধাপ হলো ঠিকভাবে শোনা। এই গাইডে দেখুন বাংলাভাষীদের সবচেয়ে বেশি কোন শব্দগুলো ভুল হয় আর কীভাবে অনুশীলন করবেন।
কেন ইংরেজি বানান দেখে উচ্চারণ করা যায় না
একই a অক্ষর cat, car, cake আর about-এ চার রকমভাবে উচ্চারিত হয়। ইংরেজিতে পাঁচটি স্বরবর্ণ দিয়ে প্রায় কুড়িটি আলাদা স্বরধ্বনি লেখা হয়। তাই প্রতিটি শব্দের উচ্চারণ আলাদা করে মুখস্থ করার চেয়ে বারবার আসা ধ্বনিগুলো চিনে নেওয়া অনেক বেশি কাজের।
বাংলা অক্ষরে ইংরেজি উচ্চারণ লিখে রাখা শুরুতে সাহায্য করতে পারে, কিন্তু v, z, th বা ছোট-বড় স্বরধ্বনি বাংলা অক্ষরে ঠিকমতো লেখা যায় না। তাই সবসময় অডিও শুনে মিলিয়ে নিন।
বাংলাভাষীদের সাধারণ ভুলগুলো
- v আর bh: very শব্দটি «ভেরি» নয়। v উচ্চারণে ওপরের দাঁত নিচের ঠোঁট ছোঁয়, বাংলার ভ-এর মতো দুই ঠোঁট নয়।
- z আর j: zoo «জু» নয়, zero «জিরো» নয়। z হলো s-এর মতো হিসহিস ধ্বনি, কিন্তু গলা কাঁপিয়ে।
- f আর ph: fan-এর f ফ-এর মতো দুই ঠোঁটে নয়, দাঁত আর ঠোঁট দিয়ে বলা হয়।
- s আর sh: see আর she, sip আর ship আলাদা শব্দ। s-কে sh বলে ফেললে অর্থ বদলে যায়।
- ছোট আর বড় স্বরধ্বনি: ship আর sheep, full আর fool। বাংলায় এই পার্থক্য নেই, কিন্তু ইংরেজিতে অর্থ বদলে যায়।
- শুরুর যুক্তবর্ণ: school-কে «ইস্কুল» বা station-কে «ইস্টেশন» বলবেন না; সামনে কোনো স্বর যোগ হয় না।
শব্দের ঝোঁক আর দুর্বল শব্দ
ইংরেজি শব্দে একটি অক্ষরে জোর পড়ে: PHOtograph কিন্তু phoTOgraphy। ভুল জায়গায় জোর দিলে চেনা শব্দও অচেনা শোনায়। বাক্যে গুরুত্বপূর্ণ শব্দগুলো জোরে আর a, to, of, and-এর মতো ছোট শব্দগুলো খুব দ্রুত ও হালকাভাবে বলা হয়। এই ছোট শব্দগুলোই শোনার সময় সবচেয়ে বেশি হারিয়ে যায়।
শুনে শুনে উচ্চারণ শিখুন: ডিক্টেশন
ডিক্টেশনে আপনি একটি বাক্য শোনেন, যা শুনলেন তা লেখেন, তারপর মিলিয়ে দেখেন। ship-এর জায়গায় sheep বা worked-এর জায়গায় work লিখলে বুঝবেন ঠিক কোন ধ্বনিটি অনুশীলন করতে হবে।
মিলিয়ে নেওয়ার পর বাক্যটি জোরে জোরে বলুন, অডিওর ছন্দ নকল করে। প্রতিদিন কয়েক মিনিট এভাবে অনুশীলন করলে কয়েক সপ্তাহে নতুন বাক্যেও এই ধ্বনিগুলো চিনতে পারবেন।
ইংরেজি উচ্চারণ নিয়ে প্রশ্ন
আগে উচ্চারণ শিখব, নাকি শুনে বোঝা?
দুটো একসঙ্গে চলে, তবে শোনা সাধারণত আগে আসে। যে ধ্বনি কানে আলাদা করে ধরতে পারেন না, তা বলাও কঠিন। ডিক্টেশনে শুনে লিখুন, তারপর জোরে বলুন; দুটোই অনুশীলন হবে।
বাংলা অক্ষরে উচ্চারণ লেখা কি ঠিক?
শুরুতে মনে রাখতে সাহায্য করে, কিন্তু অনেক ইংরেজি ধ্বনি বাংলা অক্ষরে লেখা যায় না। তাই সবসময় অডিওর সঙ্গে মিলিয়ে নিন।
উচ্চারণ ঠিক হতে কত দিন লাগে?
নির্দিষ্ট সময় বলা যায় না। প্রতিদিন ১০ মিনিট শুনে-লিখে-বলে অনুশীলন করলে অধিকাংশ মানুষ কয়েক সপ্তাহে পার্থক্য টের পান।